মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২২nd মে ২০১৪

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও দপ্তরসমূহ

প্রতিরক্ষা বাহিনী সমূহ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী: ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্ম। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান দায়িত্ব। এ-ছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে থাকে। যে কোন ধরনের বিপর্যয় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা ও জাতি গঠনে সেনাবাহিনী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।  বিস্তারিত

বাংলাদেশ নৌবাহিনী: তদানীন্তন পাকিস্তান নৌবাহিনীর বাঙালী কর্মকর্তা ও সৈনিকগণ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতালাভের পর ১৯৭২ সালে ১৭ জন অফিসার, ৪১৭ জন নৌসেনা এবং ২টি পেট্রোল ক্রাফট নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার রক্ষক। এ-ছাড়া উপকূলীয় এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা এবং নৌপথে বা সমুদ্রপথে মাদক পাচার রোধ ও চোরাচালান রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিস্তারিত

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী: মহান মুক্তিযুদ্ধকালে ১৯৭১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বিমান বাহিনী কিছু সামরিক ও বেসামরিক বিমান নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। আকাশপথে হামলা মোকাবেলা বিমান বাহিনীর প্রধান কাজ। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ যে কোন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিমান বাহিনী হেলিকপ্টার সহায়তা প্রদান করে। বিস্তারিত

 

আন্ত:বাহিনী  সংস্থাসমূহ:

সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তর (ডিজিএমএস): সশস্ত্রবাহিনীতে কর্মরত সকল সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারবর্গ ও অন্যান্য প্রাধিকারভুক্ত ব্যক্তিকে মানসম্মত চিকিৎসা সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করা এই মহাপরিদপ্তরের প্রধান লক্ষ্য। এ-ছাড়াও মহাপরিদপ্তরের অধীন ৪টি আন্তঃবাহিনী ইউনিটের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত সশস্ত্রবাহিনীর সামরিক হাসপাতালগুলির প্রশাসনিক ও পেশাগত কার্যক্রম পরিচালনাসহ বিভিন্ন চিকিৎসা পরিষেবায় এই মহাপরিদপ্তর অবদান রাখছে। বিস্তারিত

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি): ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৬ সালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ডিএসসিএসসি-তে ১৯৯৯ সালে এনডিসি-র প্রথম কোর্স অনুষ্ঠিত হয়। আধুনিক সমরবিদ্যা শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে সশস্ত্রবাহিনীকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলাই এ-কলেজের প্রধান উদ্দেশ্য। দেশের ও বিদেশের সামরিক কর্মকর্তাগণ এখানে উচ্চতর পেশাগত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ অর্জন করেন। বর্তমানে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে তিনটি কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। বিস্তারিত

ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি): ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) সশস্ত্রবাহিনীর একটি প্রধান সামরিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ কলেজে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর নির্বাচিত মধ্যপর্যায়ের কর্মকর্তাগণ পেশাগত সামরিক শিক্ষা লাভ করেন। দেশ-বিদেশের সামরিক কর্মকর্তাগণও এখানে অধ্যয়ন করেন। বিস্তারিত

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি): কারিগরি ও প্রযুক্তিক্ষেত্রে সশস্ত্রবাহিনীর অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হিসাবে ১৯৯৮ সালে এমআইএসটি যাত্রা শুরু করে। মিরপুর সেনানিবাসে অবস্থিত এ ইনস্টিটিউটে ১৯৯৯ সাল থেকে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের বিজ্ঞান, কারিগরি ও প্রযুক্তিজ্ঞানে সমকালীনতা প্রদানই এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বিস্তারিত

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি): ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল্স্ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দেশের ৩০তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। জাতীয় নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও আধুনিক বিজ্ঞান বিষয়ক জ্ঞান বিকাশের লক্ষ্যে সামরিক ও বেসামরিক পেশাজীবীদের উচ্চতর শিক্ষা প্রদান, গবেষণা ও উন্নয়ন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম দায়িত্ব। বিস্তারিত

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ (এএফএমসি): ১৯৯৯ সালে ৫৬ জন ছাত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করে আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজ। আর্মি মেডিক্যাল কোরে প্রচলিত চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাশাপাশি সামরিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে সঙ্গতি বিধানের লক্ষ্যে এই কলেজ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে। বিস্তারিত

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইন্সটিটিউট (এএফএমআই): সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল কোরের প্রধান চিকিৎসা ইনস্টিটিউট হচ্ছে আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট। স্বাধীনতার পরপরই সশস্ত্রবাহিনীর সকল স্তরে কার্যকর চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে ইনস্টিটিউটটিকে অধিকতর কার্যকর করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল কোর, ডেন্টাল কোর, আর্মড ফোর্সেস নার্সিং সার্ভিসের কর্মকর্তাগণ এবং অন্যান্য প্যারামেডিক্সের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রদান করে এএফএমআই। ইনস্টিটিউট রোগ-গবেষণা, ঔষধ ব্যবস্থাপনাসহ রোগতত্ত্বের বিভিন্ন বিষয়েও গবেষণা করে। বিস্তারিত

আর্মড ফোর্সেস ইন্সটিটিউট অব প্যাথোলজি (এএফআইপি): আর্মি প্যাথোলজিক্যাল ল্যাবরেটরি হিসাবে ১৯৫১ সালে এএফআইপি-র যাত্রা শুরু হয়। আর্মি মেডিক্যাল কোরের অফিসারদের জন্য নিয়মিতভাবে প্যাথোলজি বিষয়ক বিশেষায়িত কোর্সসমূহের আয়োজন, তাঁদের স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ প্রদান, গবেষণা ও সশস্ত্রবাহিনীকে প্যাথোলজিক্যাল পরিষেবা প্রদান এ ইনস্টিটিউটের প্রধান দায়িত্ব। ১৯৮৭ সালে এ প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা দিবস পদক লাভ করে। বিস্তারিত

বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ): বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা একটি প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠান। ১৯৭০ সালে এটি গাজীপুর জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে এই কারখানায় হালকা ও ছোট আকারের অস্ত্রশস্ত্র উৎপাদিত হয়। বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা পাঁচটি শাখা-কারখানায় বিভক্ত। বিস্তারিত

আন্তঃবাহিনী নির্বাচন পর্ষদ (আইএসএসবি): সশস্ত্রবাহিনীতে যোগ্য কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে সেনানির্বাচন বোর্ডকে তিন বাহিনীর কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে পুনর্বিন্যাস করে আন্তঃবাহিনী নির্বাচন বোর্ড গঠিত হয়। সশস্ত্রবাহিনীর জন্য যোগ্য ও সম্ভাবনাময় কর্মকর্তা নির্বাচন এই বোর্ডের প্রধান দায়িত্ব। বিস্তারিত

বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী বোর্ড (বিএএসবি): সশস্ত্রবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এবং চাকুরিরত সদস্যদের কল্যাণার্থে তদানীন্তন বৃটিশ সরকারের অধীনে ১৯৪২ সালে ‘সোলজারস, সেইলরস অ্যান্ড এয়ারম্যানস বোর্ড’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। স্বাধীনতালাভের পর ১৯৭২ সাল থেকে এ সংস্থা ‘বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী বোর্ড’ নামে এর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বাংলাদেশ আর্মড সার্ভিসেস বোর্ড বা বিএএসবি সদর দপ্তর হিসাবে বিভিন্ন ডিস্ট্রিক্ট আর্মড সার্ভিসেস বোর্ড বা ডিএএসবিসমূহের মাধ্যমে সারাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বর্তমানে দেশের ২০টি জেলায় ডিএএসবি অফিস চালু আছে এবং আরও ১০টি জেলায় ডিএএসবির অফিস প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে কর্মরত সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের মানবিক কারণে/স্বেচ্ছায় চাকুরি থেকে অব্যাহতির স্বপক্ষে সত্যতা যাচাই, প্রাক্তন সদস্যদের/পোষ্যদের পারিবারিক পেনশন প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করা ও বিভিন্ন সংস্থায় প্রাক্তন সদস্যদের চাকুরিতে পুনঃনিয়োগের মাধ্যমে সহযোগিতা করা। বিস্তারিত

প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তর (ডিজিডিপি): প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তর সশস্ত্রবাহিনীসহ বিভিন্ন   আন্তঃবাহিনী সংস্থার ক্রয়-কার্যক্রম পরিচালনা করে। দেশ-বিদেশ থেকে সকল প্রকার প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত ক্রয়ের অনুমোদন ব্যবস্থাপনা ও মধ্যস্থতার দায়িত্ব এ সংস্থার। প্রতিরক্ষা ক্রয়ের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে মহাপরিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিস্তারিত

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর: জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালে ডিজিএফআই প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দেশের অন্যতম প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা। সংস্থায় একজন মহাপরিচালক ও সাতজন পরিচালক রয়েছেন। সরকারকে পরামর্শ প্রদানের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ এর অন্যতম দায়িত্ব।  বিস্তারিত

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর): গণমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা ও জনসংযোগ কার্যক্রমের মাধ্যমে সশস্ত্রবাহিনীসহ প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের প্রকৃত ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে  আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর। সশস্ত্রবাহিনী সম্পর্কে কার্যকর ও সঠিক তথ্য বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে তুলে ধরা, বাহিনীসমূহের তথ্য প্রকাশের জন্য বিভিন্ন রচনা, চিত্র, প্রতিবেদন নিরীক্ষা ও ছাড়পত্র প্রদানসহ সামরিক তথ্য সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা এ পরিদপ্তরের দায়িত্ব। বিস্তারিত

ক্যাডেট কলেজ পরিচালনা পরিষদ: ক্যাডেট কলেজসমূহ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্বায়ত্তশাসিত আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ক্যাডেট কলেজের যাত্রা শুরু হয় ১৯৫৮ সালে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। বর্তমানে ছেলেদের ৯টি এবং মেয়েদের ৩টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে। ক্যাডেটরা আবশ্যিকভাবে নিয়মিত খেলাধুলা, পিটি, প্যারেড, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে। এ-ছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলের পেশাগত নেতৃত্ব প্রদানে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য, প্রতি বছর জাতীয় শিক্ষাবোর্ডের অধীন সকল পরীক্ষায় ক্যাডেটরা ধারাবাহিকভাবে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে। বিস্তারিত

 

অন্যান্য সংস্থা/দপ্তর:

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি): দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের ছাত্রছাত্রী তথা যুবসমাজকে সামরিক প্রশিক্ষণ, তাঁদের নৈতিক চরিত্র গঠন এবং ক্যাডেটদের নেতৃত্বের গুণাবলিসম্পন্ন করে গড়ে তোলার মাধ্যমে তাঁদের দ্বিতীয় সারির প্রতিরক্ষা বাহিনী হিসাবে গড়ে তোলা বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর প্রধান দায়িত্ব। এর অধীনে প্রতিবছর দেশের ৪৯৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬১১টি প্লাটুনের মাধ্যমে প্রায় ২৫,০০০জন ক্যাডেট নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ক্যাডেটগণ সেনাবাহিনীর পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলারক্ষায় প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা প্রদান করে আসছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বর্ষব্যাপী রুটিন প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ক্যাডেটগণ বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। বিস্তারিত

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি): বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশে আবহাওয়া বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনাকারী একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান। আবহাওয়া উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস পদ্ধতির মান-উন্নয়নসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য অধিকতর নির্ভুল তথ্য প্রদান এ অধিদপ্তরের অন্যতম দায়িত্ব। অধিদপ্তর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারসমূহের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং রাডার, উপগ্রহ কেন্দ্র ও কৃষি আবহাওয়া-সংক্রান্ত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে আধুনিক কৃষি-ব্যবস্থাপনার বিকাশে সহায়তা প্রদান করে থাকে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত। এ-ছাড়াও ঢাকা ও চট্টগ্রামে দু’টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে। বিস্তারিত

বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো): স্পারসো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং এ প্রযুক্তি সংক্রান্ত গবেষণা, এর যথাযথ প্রয়োগ ও সম্প্রসারণের পদক্ষেপ হিসাবে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রতিষ্ঠিত হয়। স্পারসো দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ করে প্রাকৃতিক সম্পদ জরিপ, পরিবেশ ও দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাপনায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। স্পারসো ভূ-সম্পর্কিত বহুবিধ বিষয়ে গবেষণা ও সমীক্ষার মাধ্যমে মূল্যবান তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ, উদ্ঘাটন ও উদ্ভাবন করে থাকে। বিস্তারিত

বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর: বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর দেশের জাতীয় জরিপ ও মানচিত্র প্রণয়নকারী সংস্থা। ১৭৬৭ সালে ‘বেঙ্গল সার্ভে’ নামে এ সংস্থার যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘকালের অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ জরিপ অধিদপ্তর জরিপ ও মানচিত্র প্রণয়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বর্তমানে অধিদপ্তরের একটি ডিজিটাল মানচিত্র প্রণয়ন কেন্দ্র এবং আধুনিক ছাপাখানা ও জিওডেটিক ইউনিট রয়েছে। দুর্যোগ প্রতিরোধ প্রস্ত্ততি, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, শহর ও গ্রামাঞ্চলে অবকাঠামো এবং শিল্প ও বাণিজ্য পরিকল্পনার ক্ষেত্রে তথ্য সরবরাহ করে থাকে। বিস্তারিত

সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তর (সাভূসে): ১৯৭০ সালে ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালে পরিদপ্তরটি পূর্ণাঙ্গ অধিদপ্তরে উন্নীত হয়। এ অধিদপ্তরের অধীন বর্তমানে ৩টি সামরিক ভূ-সম্পত্তি প্রশাসন দপ্তর এবং ১৫টি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড রয়েছে। সারাদেশের সামরিক ভূমি রক্ষণাবেক্ষণ ও সামরিক প্রয়োজনে নতুন জমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন সেনানিবাসে পৌর-কার্যাদি সম্পাদন অধিদপ্তরের অন্যতম কাজ। বিস্তারিত

গুপ্তসংকেত পরিদপ্তর: ১৯৭৩ সালে গুপ্তসংকেত পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। গুপ্তসংকেত পরিদপ্তর (সাইফার পরিদপ্তর) সরকারের গোপন যোগাযোগের নিরাপত্তার মাধ্যমে সাইফার ব্যবস্থা-সংশ্লিষ্ট একটি বিশেষায়িত টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্ট। এ দপ্তরটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্রবাহিনী, ডিজিএফআই, কোস্ট গার্ড, এনএসআই, জেলা প্রশাসন, পুলিশ সদর দপ্তর, এবং জেলা পুলিশ সুপারসহ গুরুত্বপূর্ণ ১১টি সংস্থার গোপন যোগাযোগে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট গুপ্তসংকেত দলিলাদি/গুপ্তি উপকরণ, ক্রিপ্টোসফটওয়্যার এবং এ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামাদি তৈরি ও সরবরাহ করে। এটি গুপ্তসংকেত-সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রদানের দায়িত্বে নিয়োজিত দেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান।

কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স (সিজিডিএফ): প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সামরিক হিসাব বিভাগ হিসাবে ১৯৮২ সালে সিজিডিএফ যাত্রা শুরু করে। কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্সের অধীন সাতটি দপ্তর রয়েছে। সামরিক খাতের হিসাব, হিসাব নিরীক্ষা, ব্যয় ও আন্তঃনিরীক্ষাসহ সামরিক ব্যয় সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান সিজিডিএফ-এর প্রধান দায়িত্ব। বিস্তারিত

প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার কার্যালয় (সিএও): ১৯৭৩ সালে এই কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সশস্ত্রবাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থা-দপ্তরে নিয়োজিত সকল বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রশাসনিক ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে এ কার্যালয়। প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার কার্যালয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থা-দপ্তরে মুদ্রণ ও লেখ-সামগ্রীসমূহ যোগান, রক্ষণাবেক্ষণ ও অফিস দ্রব্যাদি সরবরাহ করে থাকে। বিস্তারিত

মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স কনস্ট্যাবিউলারি (এমওডিসি): মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স কনস্ট্যাবিউলারি হচ্ছে সেনাবাহিনীর একটি কোর এবং নিয়মিত বাহিনী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, আন্তঃবাহিনী সংস্থাসমূহ এবং প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা যেমন ডিজিএফআই, ডিজিডিপি, ডিজিএমএস, আর্মি এভিয়েশন, বিওএফ, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এর প্রধান দায়িত্ব। জরুরি অবস্থায় সশস্ত্রবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করতেও এ বাহিনী সক্ষম। ১৯৭৮ সালের এমওডিসি (আর্মি)-কে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সংস্থা হিসাবে পুনর্গঠন করা হয়। বিস্তারিত

 


Share with :
Facebook Facebook