কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬ এ ০৬:২৫ PM

পটভূমি

কন্টেন্ট: পাতা

বাংলাদেশের জন্য একটি আধুনিক ও কার্যকরী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। সচিবালয় থেকে ১৯৭২ সালে এ মন্ত্রণালয় হাইকোর্ট ভবনে এবং ১৯৯৩ সালে শের-ই-বাংলা নগরের গণভবন কমপ্লেক্সে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে গঠিত হলেও বর্তমানে ২৫টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোতে বর্তমানে মোট পদসংখ্যা হয়েছে ২৪৪ টি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সময়োপযোগী কর্ম-উদ্যোগ এবং বাস্তবানুগ ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সামরিক অসামরিক প্রতিষ্ঠান সমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম, সুখী, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে আরো সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করে তুলবে।

জাতীয় উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ একটি চলমান এবং ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। জাতীয় সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট, সমন্বিত এবং কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থা কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচিকে জাতীয় অগ্রগতির অবিচ্ছেদ্য অংশ বিবেচনা করে তা অধিকতর কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তিকে সুসংহত করার লক্ষ্যে এবং একটি সুস্থিত, সুখী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র ব্যবস্থা সমুন্নত রাখার স্বার্থে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্বীয় ভূমিকা পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন